1. admin@handiyalnews24.com : admin :
  2. tenfapagci1983@coffeejeans.com.ua : cherielkp04817 :
  3. ivan.ivanovnewwww@gmail.com : leftkisslejour :
   
চাটমোহর,পাবনা সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন

বাউত উৎসবে মেতেছে সৌখিন মৎস্য শিকারীরা

হান্ডিয়াল নিউজ
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩ , ১১.১৩ অপরাহ্ণ
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

চলনবিল অধ্যাসিতু সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বাউত উৎসবে মেতেছেন সৌখিন মৎস্য শিকারিরা। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের সৌখিন মৎস্য শিকারীরা দল বেঁধে বিলে নেমে মনের আনন্দে মাছ শিকার করছেন। এ সময় অনেকেই বিলের পানি থেকে বোয়াল, শোল, রুই ও কাতল মাছ ধরছেন। আবার অনেককেই খালি হাতে ফিরে যেতেও দেখা গেছে।

দলবেঁধে মাছ ধরার এ আয়োজনে মৎস্য শিকারিদের ডাকা হয় বাউত বলে। তাদের ঘিরেই উৎসবের নামকরণ করা হয়। হাজার বছর ধরে গ্রামীণ ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে হয়ে আসছে বাউত উৎসব। বর্ষার শেষে বিলের পানি শুকিয়ে যাওয়ার সময় এই উৎসব হয়ে থাকে।

মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে তাড়াশ উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের গোমানী খালে দেখা যায়, ভোর থেকে চলনবিলের গোমানী খালে সারিবদ্ধভাবে মাছ শিকারে নেমেছেন অনেক মৎস্য শিকারি। ভোরের আলো ফোটার আগেই বিলপাড়ে হাজির হয় নানা বয়সী হাজারো মানুষ। সবার হাতে পলো, ঠেলা জাল, বাদাই জালসহ মাছ ধরার নানা উপকরণ। একসঙ্গে বিলে নেমে লোকজ রীতিতে মনের আনন্দে চলছে মাছ শিকার। দলবেঁধে মাছ ধরার এ আয়োজনে মৎস্য শিকারকে ডাকা হয় বাউত। তাদের ঘিরেই উৎসবের নামকরণ। চলনবিলাঞ্চলে এমন উৎসব চলছে যুগের পর যুগ ধরে।

জানা যায়, বিলে দল বেঁধে মাছ ধরার এই আয়োজনের নাম ‘বাউত উৎসব’। দেশের বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে থেকে উৎসবে অংশ নেন নানা বয়সী হাজারো মানুষ। তবে, এ বছর বিলে মেলেনি কাঙ্খিত মাছের দেখা। এতে হতাশ ও ক্ষুব্ধ মৎস্য শিকারিরা। তাদের অভিযোগ, অবৈধ জাল আর গ্যাস ট্যাবলেট দিয়ে মাছ ধরে নিয়ে যান প্রভাবশালীরা।

তাড়াশ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক আবু হাসিম খোকন জানান, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর নভেম্বরের শেষ অথবা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শুরু হয় মাসব্যাপী এই উৎসব। সপ্তাহের প্রতি শনি ও মঙ্গলবার ভোর থেকে বিলাঞ্চলের পূর্বনির্ধারিত এলাকায় দল বেঁধে মাছ শিকারে নামেন বাউতেরা।

মৎস্য শিকারী শাহিন আলম, লুৎফর রহমানসহ অনেকেই জানান, বাপ-দাদার আমল থেকে দেখে আসছি এই বাউত উৎসব। তাই আমরা এলাকার লোকজনের সঙ্গে শখের বসে বাউত উৎসবে আসি। সারা দিনে রুই, কাতল, বোয়াল,শোল, টাকিসহ নানা প্রকারের মাছ পাওয়া যায়। এতে সবাই খুশি।

উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান ম্যাগনেট বলেন, প্রকাশ্যে অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল ব্যবহার হচ্ছে। তাই আগামীতে দেশী মাছের সাথে বাঙালী সংস্কৃতির এই উৎসবও হারিয়ে যাবে। এছাড়া বাউত উৎসব বিলপাড়ের মানুষের একটি ঐতিহ্য। ছোট বেলা থেকে দেখে আসছি যে বিলপাড়ের সৌখিন মৎস্য শিকারীরা দিন ছিক করে এক সঙ্গে বাউত উৎসবে মেতে উঠে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২৪ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।