1. admin@handiyalnews24.com : admin :
  2. tenfapagci1983@coffeejeans.com.ua : cherielkp04817 :
  3. ivan.ivanovnewwww@gmail.com : leftkisslejour :
   
চাটমোহর,পাবনা রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২:৪৪ অপরাহ্ন

চাটমোহরে ভ্রাম্যমান আদালতে ৭ জন যুবকের কারাদন্ড

চাটমোহর প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২২ , ১০.৪০ অপরাহ্ণ
  • ১১১ বার পড়া হয়েছে

পাবনার ঈশ্বরদীতে অনুষ্ঠিত তাঁত,বস্ত্র ও কুটির শিল্প মেলার নামে চাটমোহরে অবৈধ লটারি বিক্রির অভিযোগে ৭ যুবককে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। শনিবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছাঃ মমতাজ মহল ৭ জনের প্রত্যেককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। এর আগে লটারি বিক্রিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও চাটমোহর থানা পুলিশ লটারি বিক্রির জন্য ব্যবহৃত ৯টি অটো বোরাক,৯টি এমলিফায়ার,৯ুট মাইকের ইউনিট ও বেশ কিছু লটারির টিকেটসহ ৭জন বিক্রেতাকে আটক করেন। এ সময় ২জন পালিয়ে যায়। কারাদন্ডপ্রাপ্ত হলেন,জয়পুরহাটের আঃ খালেকের ছেলে মিশকাত (১৮),আতিয়ার মন্ডলের ছেলে সাজু মন্ডল (২৫),কোরবান আলীর ছেলে আঃ আহাদ (২৭),আঃ রশিদের ছেলে নুর আলম (২৬),রায়হান আলীর ছেলে মোঃ নাহিদ (১৯),মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে মহিবুল ইসলাম (২০) ও মনছুর রহমানের ছেলে মোঃ মিঠু (৩০)। ১৮৬০ সালের দন্ডবিধির ১৮৮ ধারা মোতাবেক এই কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
জানা গেছে,পাবনার ঈশ্বরদীতে বস্ত্র মেলার নামে গত এক সপ্তাহ ধরে অবৈধ লটারী বাণিজ্যর চলছে। এই অবৈধ লটারীর খপ্পরে পড়ে গাটের টাকা খোঁয়াচ্ছে সাধারণ মানুষ। স্থানীয়রা জানান,দুর্মূল্যের এই বাজারে মানুষ যখন চরম আর্থিক সংকটে ভুগছেন। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস। ঠিক তখনই সরকার দলীয় লোকজনের পৃষ্ঠপোষকতায় বস্ত্র ও বানিজ্য মেলার নামে চলছে অনুমোদনবিহীন অবৈধ লটারী। আর এই লটারি বিক্রির জন্য প্রতিদিন ৪০টির অধিক অটোবোরাক চাটমোহর উপজেলঅর গ্রাম,পাড়া-মহল্লায় চষে বেড়াতো। এ ধরণের লটারি পরিচালনায় প্রশাসনের কোন অনুমোদন নেই বলেও নিশ্চিত করেন চাটমোহর  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ মমতাজ মহল।
ঈশ্বরদীতে মেলা হলেও অবৈধ লটারীর টিকেট বিক্রি করা হচ্ছিল চাটমোহর উপজেলায়। প্রবেশ ফির নামে প্রতিটি টিকেট ২০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। চটকদার সব বিজ্ঞাপন প্রচার করে এবং মোটরসাইকেল,বাইসাইকেল,টিভি,ফ্রিজসহ বিভিন্ন রকম পুরস্কারের প্রলোভন দেখিয়ে অটোবোরাকে চলছিল লটারির টিকেট বিক্রি। মাইকে এসব লোভনীয় বিজ্ঞাপন শুনে ব্যাটারিচালিত বোরাকে থাকা লটারি কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন বিভিন্ন বয়সী নারী পুরুষ। কেউ কেউ ২০ টাকা মূল্যের এই লটারি ৫ থেকে ১০ টিও কিনছেন। কোনো কোনো ব্যক্তি আবার ২০টি লটারিও কিনছেন। প্রতিদিন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল মেলার আয়োজক ও র‌্যাফেল ড্র সংশ্লিষ্টরা। এতে আর্থিকভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছিল নিম্ন আয়ের মানুষ। বিভিন্ন জনের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে এবং লটারির বিষয়টি জানার পর চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ মমতাজ মহল ও থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জালঅল উদ্দিন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এরই ফলশ্রুতিতে শনিবার সকাল ১১টার দিকে পৌর শহরের শাহী মসজিদ এলাকায় ৯টি অটোবোরাকসহ বিক্রেতা ও আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বিক্রেতাদের ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ মমতাজ মহল জানান,লটারি পরিচালনায় কোন অনুমোদন দেয়া হয়নি,প্রবেশ টিকেটের কথা বলে লটারি বিক্রি করতে দেওয়া হবেনা। এ ধরনের লটারি বিক্রির আইনত সুযোগ নেই।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২৪ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।