
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভে আরও কড়াকড়ি নীতির সমর্থক চেয়ারম্যান আসতে পারেন এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ায় শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ৪ শতাংশের বেশি কমেছে। তবে ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে চাহিদা বাড়ায় চলতি মাসে স্বর্ণ এখনো ১৯৮২ সালের পর সবচেয়ে শক্তিশালী মাসিক উত্থানের পথে রয়েছে। খবর রয়টার্সের।
শুক্রবার স্পট স্বর্ণের দাম ৪.২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫,১৭২.৮০ ডলারে নেমে আসে। এর আগে এক পর্যায়ে দাম ৫ শতাংশের বেশি পড়ে যায়। বৃহস্পতিবার স্বর্ণের দাম রেকর্ড ৫,৫৯৪.৮২ ডলারে পৌঁছেছিল।
জানুয়ারিতে এ পর্যন্ত স্বর্ণের দাম ২০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। টানা ষষ্ঠ মাসের মতো ঊর্ধ্বমুখী থাকছে দাম। মাসিক হিসাবে এটি ১৯৮২ সালের পর সবচেয়ে বড় উত্থান হতে যাচ্ছে।
ফেব্রুয়ারি ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচার্স শুক্রবার ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫,১৬৩.৯০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে টানা কয়েক দফায় বাড়ার পর বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার ভরিতে ১৪ হাজার ৬৩৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৭৩ হাজার ৩৬৩ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর এ তথ্য জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট হলমার্ককৃত স্বর্ণের প্রতি গ্রামের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ হাজার ২৬৫ টাকা। সে হিসেবে দেশীয় পরিমাপ অনুযায়ী প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৬৩ টাকা।
২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৫৯ হাজার টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ২২ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ৮২ হাজার ৮৩৩ টাকা।

আ.লীগ থাকলে জামায়াত থাকবে, জামায়াত থাকলে আ.লীগ থাকবে : মাহফুজ আলম
হান্ডিয়াল নিউজ ডেস্ক 


















